রবিবার, জুলাই ২৫

৪(চার) বছর মেয়াদি সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার অন্যান্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্য কেন?

একজন সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার দেশের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা সবারই জানা আছে। তারপরও একজন সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার সম্পর্কে কিছু কথা জানা প্রয়োজন বলে মনে করি। দেশ ভাগের সময় একজন সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারের হাতেই বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারন হয়। সেই থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ প্রক্রিয়া।
এছাড়াও দেশের সরকারি সকল মন্ত্রনালয় ও দপ্তরে সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়। যখন থেকে সরকারি সকল মন্ত্রনালয় ও দপ্তরে সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হয় তখন থেকেই শুরু হয় বিপত্তি এবং তৈরি হয় বৈষম্য। এদিকে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ৪ বছর মেয়াদি সার্ভেয়িং টেকনোলজি থেকে পাশ করে বের হয় একজন সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। অপর দিকে একই বোর্ড থেকে ৪ বছর মেয়াদি যেমন, সিভিল টেকনোলজি থেকে পাশ করে বের হয় একজন সিভিল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। তাহলে একজন সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন সিভিল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়। কিনতু বাস্তবতায় একজন সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারকে দেওয়া হচ্ছে ১৫ তম গ্রেডের বেতন স্কেল অন্য দিকে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কে দেওয়া হয় ১০ তম গ্রেডের বেতন স্কেল। কিনতু কেন এই বৈষম্য, কেন এই পার্থক্য। গোটা সার্ভে জাতি আজ এই বৈষম্যের জন্য হতাশ। সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাণের দাবী একটাই, সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারদের ১০ তম গ্রেডের বেতন স্কেল প্রদান করে তাদের প্রাপ্য মর্যাদা ফিরিয়ে দিওয়া হোক।
অনুরোধক্রমে
মোঃ রাজিবুল ইসলাম সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *